বগুড়ার আদমদীঘিতে বাড়ির বারান্দা থেকে আক্তার হোসেন (৬৪) নামের এক বাবুর্চির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
(৪ অক্টোবর) রবিবার, বেলা ১১টায় উপজেলার সান্তাহার পৌরসভার দোগাছী গ্রামে তার বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুপুরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। আক্তার হোসেন আদমদীঘির সান্তাহার পৌরসভার দোগাছী গ্রামের নজরুল মন্ডলের ছেলে। তিনি পেশায় বাবুর্চি ছিলেন।
দোগাছি গ্রামের স্থানীয়রা জানায়, আদমদীঘি উপজেলার দোগাছী গ্রামে বাবুর্চি আক্তার হেসেন তার স্ত্রী বেবী বেগমকে নিয়ে বসবাস করছিলেন। পারিবারিক কলহের কারনে ৬ মাস পূর্বে স্ত্রী বেবী বেগম তার স্বামী আক্তার হোসেনকে তালাক দেন। এরপর থেকে বাবুর্চি আক্তার হোসেন সান্তাহারসহ বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমান ভাবে বসবাস করতেন, ফিরতেন না তার বাড়িতে।
গত (৩ অক্টোবর) শনিবার , হঠাৎ করে তার বাড়ি দোগাছী গ্রামে আসেন আক্তার হোসেন। আজ রবিবার সকালে তার তালাক দেওয়া স্ত্রী বেবী বেগম পাশে ছোট ভাই আব্দুল হান্নানের বাড়িতে রাত্রী যাপন করে সকাল ৬ টার দিকে ওই বাড়ির গিয়ে দেখতে পান আক্তার হোসেন বারান্দায় শুয়ে পড়ে আছেন।
বিষয়টি স্থানীয়দের জানালে সেখানে তারা মৃত অবস্থায় আক্তার হোসেনকে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হলে সকাল সাড়ে ১১টায় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ উদ্ধার করে এবং মরদেহের পাশে পড়ে থাকা বিষাক্ত ৮টি গ্যাস ট্যাবলেটসহ একটি বক্স জব্দ করেন।
আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি ) মো. কামরুজ্জামান মিয়া জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে, বাবুর্চি আক্তার হোসেনের মৃত্যু বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে হতে পারে।
তবে ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়া গেলে এ মৃত্যুর সঠিক কারন জানা যাবে।
এ ব্যাপারে থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ ফজলুল হক মনোয়ার । নির্বাহী সম্পাদকঃ অধ্যাপক আবদুল জলিল । বার্তা সম্পাদকঃ এনামুল হক
সম্পাদনা পরিষদেঃ গোলাম মোস্তফা । সাইফুল ইসলাম নাবিল । কে এম আনোয়ার হোসেন । হাসানুল আহসান রীমন ।
প্রধান কার্যালয়ঃ সোনামুখী বাজার, কাজিপুর, সিরাজগঞ্জে ।
যোগাযোগঃ ০১৮১৮-৫১৪৩১৩, ০১৭৪০-৯৯২৩২১, ০১৭১২-৩৮৫৪৪১ নম্বরে।
ইমেইলঃ badwipnews@gmail.com
সর্বস্ব সংরক্ষিত বদ্বীপ নিউজ © কপিরাইট – ২০২৬