বিশেষ প্রতিবেদক
পাপ যে কখনো চাপা থাকে না এবং ঈদের পবিত্র আমেজকে পুঁজি করে অবৈ/ধ মেলামেশা করলে তার পরিণতি কতটা লজ্জাজনক হতে পারে—তার এক জীবন্ত প্রমাণ মিলল এবার!"—গাইবান্ধায় ঘটে যাওয়া এক নজিরবিহীন ঘটনা এখন পুরো জেলা জুড়ে তুমুল তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। ঘটনার মূল নায়ক এলাকার এক সাবেক চেয়ারম্যান, যিনি জনগণের অভিভাবক হয়েও জড়িয়ে পড়েছিলেন বর্তমান রানিং মেম্বারের স্ত্রীর সাথে এক কুৎসিত ও দীর্ঘমেয়াদী পর/কী/য়া সম্পর্কে।
মেম্বার যখন বাড়ির বাইরে ছিলেন, তখন সুযোগ বুঝে সাবেক চেয়ারম্যান মেম্বারের ঘরে হানা দেন। কিন্তু এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যদের চোখ এড়াতে পারেননি তাঁরা; একপর্যায়ে দুজনকে ঘরের ভেতর একদম আপ/ত্তি/কর ও আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলা হয়! ধ/রা পড়ার পর প্রথম দিকে নিজের পিঠ বাঁচাতে ওই সাবেক চেয়ারম্যান অত্যন্ত হাস্যকর এক দাবি করে বসেন। তিনি বলেন—"আমি তো এখানে কোনো খারাপ উদ্দেশ্যে আসিনি, স্রেফ ঈদের দাওয়াত খেতে এসেছি!" কিন্তু উপস্থিত জনতার তীব্র জেরার মুখে মোহের সেই দেওয়াল ভেঙে পড়ে। অবশেষে তিনি স্বীকার করতে বাধ্য হন যে, বিগত দীর্ঘ ৫ বছর ধরে তাঁদের মধ্যে এক গোপন ও গভীর প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল!
সবচেয়ে ভয়া/বহ এবং লজ্জার বিষয় হলো, এই দুই পরকীয়া আসক্ত যুগলের ঘরেই ৩ জন করে সন্তান রয়েছে! অর্থাৎ, মোট ৬টি নিষ্পাপ সন্তানের ভবিষ্যৎ এবং নিজেদের সাজানো সংসারকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে তাঁরা এই অনৈতিক খেলায় মেতেছিলেন। দুই-দুইজন জনপ্রতিনিধির পরিবারের এমন কুৎসিত রূপ প্রকাশ পাওয়ার পর পুরো এলাকাজুড়ে এখন তীব্র ধিক্কার ও সমালোচনার ঝড় বইছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ ফজলুল হক মনোয়ার । নির্বাহী সম্পাদকঃ অধ্যাপক আবদুল জলিল । বার্তা সম্পাদকঃ এনামুল হক
সম্পাদনা পরিষদেঃ গোলাম মোস্তফা । সাইফুল ইসলাম নাবিল । কে এম আনোয়ার হোসেন । হাসানুল আহসান রীমন ।
প্রধান কার্যালয়ঃ সোনামুখী বাজার, কাজিপুর, সিরাজগঞ্জে ।
যোগাযোগঃ ০১৮১৮-৫১৪৩১৩, ০১৭৪০-৯৯২৩২১, ০১৭১২-৩৮৫৪৪১ নম্বরে।
ইমেইলঃ badwipnews@gmail.com
সর্বস্ব সংরক্ষিত বদ্বীপ নিউজ © কপিরাইট – ২০২৬