আজিজুর রহমান মুন্না, সিরাজগঞ্জ-
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নলকা এলাকার ফুলজোড় ডিগ্রি কলেজের এক শিক্ষার্থীকে বিয়ে করাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এক ব্যক্তির দাবিকৃত বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে কলেজে ও এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যেকর সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে কলেজ ক্যাম্পাসেও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, ফুলজোড় ডিগ্রি কলেজের বিএ দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং উল্লাপাড়া উপজেলার আমডাঙ্গা এলাকার শামছুল হক ভূঁইয়ার মেয়ে স্বর্ণা খাতুনকে গত ১৯ জুন-২০২৬ খ্রি. বিয়ে করেন একই কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মনোয়ারুল ইসলাম। অভিযোগ উঠেছে, কলেজে পড়াশোনার সূত্র ধরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং পরবর্তীতে তা বিয়েতে গড়ায়।
এদিকে উল্লাপাড়া উপজেলার বড়হর তেঁতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও চাকরিচ্যুত সেনা সদস্য মো. মুরাদ হোসেন দাবি করেছেন, প্রায় দুই বছর আগে স্বর্ণা খাতুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়ে ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, তার স্ত্রীকে ফুসলিয়ে নিয়ে বিয়ে করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন।
রবিবার কলেজের অফিস কক্ষে এসে কান্নাকাটি করলে সেখানে উপস্থিতদের মধ্যে আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
অভিযুক্ত সহকারী অধ্যাপক মো. মনোয়ারুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, এসব বিষয়ে সামনাসামনি কথা বললে ভালো হয়৷ আমি আপনার সাথে পরে কথা বলছি। আমার বড় ভাই আপনার সাথে কথা বলবে। সহকারী অধ্যাপকের বড় ভাই মো. লিটন বলেন, স্বর্ণার আগে কোনো বিয়ে হয়নি৷ স্বামী পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিটি ফ্রট মানুষ। আমরা পারিবারিক ভাবে বিয়ে দিয়েছি। ফুলজোড় ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহেদ আলী বলেন, মেয়েটি অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশোনা করে। সে কি তাহলে ছোট মানুষ। প্রেম করতেই পারে। বিয়ে করেছে কিনা, আমি এসব জানিনা৷ জে/এ

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ ফজলুল হক মনোয়ার । নির্বাহী সম্পাদকঃ অধ্যাপক আবদুল জলিল । বার্তা সম্পাদকঃ এনামুল হক
সম্পাদনা পরিষদেঃ গোলাম মোস্তফা । সাইফুল ইসলাম নাবিল । কে এম আনোয়ার হোসেন । হাসানুল আহসান রীমন ।
প্রধান কার্যালয়ঃ সোনামুখী বাজার, কাজিপুর, সিরাজগঞ্জে ।
যোগাযোগঃ ০১৮১৮-৫১৪৩১৩, ০১৭৪০-৯৯২৩২১, ০১৭১২-৩৮৫৪৪১ নম্বরে।
ইমেইলঃ badwipnews@gmail.com
সর্বস্ব সংরক্ষিত বদ্বীপ নিউজ © কপিরাইট – ২০২৬