
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রাম, শারদীয় দুর্গাপূজায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং উৎসবের সার্বিক পরিবেশ নির্বিঘ্ন রাখতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করছেন খাগড়াছড়ি জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপপরিচালক রায়হান ফকির। দুর্গাপূজা উপলক্ষে চট্টগ্রাম রেঞ্জের বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত ফোকাল পারসন হিসেবে তিনি পূজামণ্ডপগুলোতে দায়িত্ব পালনরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। একই সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।
দুর্গাপূজা শুরু হওয়ার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে চট্টগ্রামের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করছেন রায়হান ফকির। পরিদর্শনকালে তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছেন। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন বাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, দর্শনার্থী ও পূজার্থীদের সঙ্গে কথা বলে উৎসবের পরিবেশ ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করছেন।
ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সতর্কতা, দায়িত্বশীলতা ও পারস্পরিক সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পূজামণ্ডপের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। রায়হান ফকিরের এ পরিদর্শন কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ, দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে সমন্বয় এবং উৎসবের সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে অবহিত থাকা।
পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিএনপি নেতা মোহাম্মদ নূর উদ্দিন জাহেদ, মোহাম্মদ আনিসুল চৌধুরী, মোহাম্মদ হিরো, মোহাম্মদ আবদুর রহিম, লায়ন চৌধুরী মোহাম্মদ আনোয়ারুল আজিম, ব্যবসায়ী তৈয়ব তাহের ও আবদুল আলীম। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ইনফো বাংলা ও মর্নিং টুডের সহযোগী সম্পাদক এবং জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি এস. এম. আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু)।
বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপনের গুরুত্ব অপরিসীম। এ ক্ষেত্রে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পূজা উদ্যাপন কমিটি এবং স্থানীয় জনগণের সমন্বিত ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। পারস্পরিক সহযোগিতা, দায়িত্বশীল আচরণ ও সতর্কতার মধ্য দিয়ে সব ধর্মের মানুষের নিরাপদে ধর্মীয় উৎসব পালনের পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব।