
চট্টগ্রামে হত্যাকাণ্ডের শিকার রামুর বাবুর লাশ দাফনে বাধা, জানাজায় বিচার দাবি পিতা ও এলাকাবাসীর;
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ, ময়নাতদন্ত ছাড়াই তড়িঘড়ি দাফনের চেষ্টার অভিযোগ
মোঃ মোরশেদ (জেলা প্রতিনিধি) কক্সবাজার
কক্সবাজারের রামু উপজেলার পশ্চিম মেরুংলোয়া এলাকায় একটি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
চট্টগ্রামে মুফিজুর রহমান বাবু (আবুল কালামের ছেলে) নামের এক যুবককে হত্যার পর তার লাশ মেরুংলোয়া এলাকায় নিয়ে আসলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর থেকেই নিহতের পিতা ও এলাকাবাসী ময়নাতদন্ত ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কিছুদিন আগে চট্টগ্রামে রহস্যজনকভাবে খুন হন মুফিজুর রহমান বাবু। কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে নিহতের লাশ গ্রামের বাড়ি রামুর পশ্চিম মেরুংলোয়ায় পৌঁছানোর পর একটি চক্র তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করার চেষ্টা চালায়।
এ সময় নিহতের পিতা ও সচেতন এলাকাবাসী কোনো ধরনের আইনি প্রক্রিয়া বা ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ দাফন করতে বাধা দেন। জানাজার মাঠে দাঁড়িয়ে তারা হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার দাবি করেন এবং দাফন কাজ স্থগিত রাখেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে নিহতের আপন ভাইদেরও হাত থাকতে পারে বলে তাদের তীব্র সন্দেহ রয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত রহস্য উদঘাটন না করে একটি কুচক্রী মহল আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে, ঘটনাস্থলে রামু থানা পুলিশ উপস্থিত থাকলেও এখন পর্যন্ত ময়নাতদন্ত বা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো জোরালো ভূমিকা পালন করছে না বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। পুলিশ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় জনগণের মধ্যে ক্ষোভ আরও বাড়ছে।
এ বিষয়ে সচেতন মহলের দাবি, একটি হত্যাকাণ্ডের পর ময়নাতদন্ত এবং আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব। কিন্তু রহস্যজনক কারণে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এলাকাবাসী অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।