ধুনটে হত্যা মামলার বাদির পরিবারকে হুমকির অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত

[print_bangla]

ফয়সাল, স্টাফ রিপোর্টারঃ

বগুড়ার ধুনটে কৃষক নুরুল ইসলামকে কান কেটে ও চোখ উপড়ে হত্যা মামলার বাদির পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। এ ঘটনায় সোমবার সকালে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নিশ্চিতপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম তালুকদারের সঙ্গে তার ভাতিজা নাজিম উদ্দিনের জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ ঘটনার জেরে ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর সন্ধ্যায় প্রতিবেশী রুবা খাতুন নামে এক গৃহবধূ পুলিশের ভয় দেখিয়ে কৌশলে নুরুল ইসলামকে বাড়ি থেকে বের করে নেয়। এ অবস্থায় ২০২৫ সালের ২২ নভেম্বর সকাল ১০টায় বাড়ির অদুরে ধান ক্ষেতের মাঝে নুরুল ইসলামের মৃতদেহ পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে ইমদাদুল হক মিলন বাদি হয়ে শেরপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় কোন আসামির নাম উল্লেখ না থাকলেও আরজিতে নাজিম উদ্দিন ও রুবা খাতুনের নাম উল্লেখ রয়েছে। শেরপুর থানা এলাকায় মৃতদেহ পড়ে থাকায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তিতে বাদির আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলার তদন্ত ভার থানা পুলিশ থেকে পরিবর্তন করে পিবিআই’র কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিপক্ষের লোকজন বাদির পরিবারকে মামলা তুলে নিতে চাপ দেওয়ার পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। এ ঘটনায় ২৮ আগস্ট নিহতের ছোট ভাই শাহিনুর ইসলাম বাদি হয়ে থানায় অভিযোগ দেন। অভিযোগে নিশ্চিপুর গ্রামের জামাল সরকারের ছেলে শাহিন সরকার সহ ৭ জনকে আসামি করা হয়। অভিযোগটি সাধারণ ডাইরী হিসেবে রেকর্ড করে তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে।

এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা ধুনট থানার এএসআই সেলিম সেখ বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের নাম উল্লেখ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী নেওয়া হবে।

Share this news as a Photo Card

Share it :

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ধুনটে হত্যা মামলার বাদির পরিবারকে হুমকির অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
dailybadwipbangladesh
www.badwipnews.com
Scroll to Top