
এমএফএইচ রাজু | ঢাকা | ২ অক্টোবর ২০২৬
কোনো শিশু নিখোঁজ হলে তার ছবি ও প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দিতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ওয়ালটন প্লাজা ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের জরুরি তথ্য প্রচারকারী প্ল্যাটফর্ম মুন অ্যালার্ট। এ উদ্যোগের আওতায় দেশজুড়ে ৭০০টির বেশি ওয়ালটন প্লাজার টিভি স্ক্রিনে যাচাইকৃত নিখোঁজ ব্যক্তির ছবি ও প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়মিত প্রচার করা হবে।
উদ্যোক্তারা বলছেন, কোনো শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর দ্রুততম সময়ে তার তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে অনুসন্ধান কার্যক্রমে যুক্ত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কোনো শিশু নিখোঁজ হলে তার ছবি ও প্রয়োজনীয় তথ্য নিকটস্থ ওয়ালটন প্লাজায় দেওয়ার সুযোগ থাকবে। যাচাইয়ের পর সংশ্লিষ্ট তথ্য ওয়ালটন প্লাজার টিভি স্ক্রিনে প্রচার করা হবে। একইভাবে, কোথাও কোনো শিশুকে একা বা কান্নারত অবস্থায় পাওয়া গেলে এবং সে নিজের বাবা-মায়ের পরিচয় বা ঠিকানা বলতে না পারলে তাকে নিকটস্থ থানা অথবা ওয়ালটন প্লাজায় নেওয়া যাবে।
মুন অ্যালার্টের স্বেচ্ছাসেবকেরা এ ধরনের ঘটনায় পুলিশ ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় সহায়তা করবেন। পাশাপাশি ১৩২১৯ নম্বরে কল করেও নিখোঁজ শিশু বা একা পাওয়া শিশুর বিষয়ে তথ্য জানানো যাবে। মুন অ্যালার্টের ওয়েবসাইটেও ১৩২১৯ ও ৯৯৯ নম্বরকে জরুরি যোগাযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
শিশু নিখোঁজ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনাও রয়েছে উদ্যোগটির আওতায়। এ লক্ষ্যে গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ওয়ালটন করপোরেট অফিসে ওয়ালটন প্লাজা ও মুন অ্যালার্টের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়।
নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান এবং মুন অ্যালার্টের প্রতিষ্ঠাতা প্রতিষ্ঠান জিরো মিসিং ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট সাদাত রহমান।
উদ্যোক্তারা জানান, প্রাথমিকভাবে সীমিত পরিসরে কার্যক্রমটি শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এটি দেশব্যাপী বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। তাদের লক্ষ্য, ওয়ালটন প্লাজার বিস্তৃত নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে নিখোঁজ শিশু ও অন্যান্য নিখোঁজ ব্যক্তির তথ্য দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং তাদের পরিবারের কাছে নিরাপদে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টাকে আরও কার্যকর করা।