
ঈদগড়কে অপরাধমুক্ত করতে ঈদগড় ফাঁড়ি ও রামু থানা পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: সাধারণ মানুষের স্বস্তির আভাস
মোঃ মোরশেদ,(জেলা প্রতিনিধি) কক্সবাজার।
কক্সবাজারের রামু উপজেলার ঈদগড় এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিসহ যাবতীয় অপরাধ দমনে এক দুঃসাহসিক ও প্রশংসনীয় অভিযানে নেমেছে ঈদগড় পুলিশ ফাঁড়ি। রামু থানা পুলিশের সার্বিক দিকনির্দেশনায় ফাঁড়ির সদস্যরা বিগত দিনেও একাধিক সফল অভিযান পরিচালনা করে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে নিজেদের প্রমান করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ‘হিমছড়ি ঢালা’য় প্রায়শই ডাকাতির ঘটনা ঘটে আসছিল, যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছিল। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ও যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ঈদগড় ফাঁড়ির ইনচার্জ খোরশেদ আলমের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় এএসআই জহিরুল ইসলামসহ পুলিশের টিম নিয়মিত বিশেষ টহল ও কঠোর অভিযান পরিচালনা করছে।
যদিও সাম্প্রতিক ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের এখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি, তবে পুলিশ অপরাধীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছে। এলাকাকে স্থায়ীভাবে শান্ত ও নিরাপদ করার লক্ষ্যে রামু থানা ও ঈদগড় ফাঁড়ি পুলিশ যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
সরেজমিনে স্থান পরিদর্শন এবং স্থানীয় বাসিন্দা ও সড়কটিতে যাতায়াতকারী সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হিমছড়ি ঢালায় ডাকাতি নতুন কোনো ঘটনা নয়। তবে বর্তমান ইনচার্জ খোরশেদ আলম দায়িত্ব নেওয়ার পর এবং রামু থানা পুলিশের কঠোর নজরদারির কারণে পূর্বের তুলনায় ডাকাতির উপদ্রব দৃশ্যমানভাবে হ্রাস পেয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও, সম্পূর্ণ অপরাধমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশের এই কঠোর ও সাহসী অভিযান অব্যাহত রাখার আকুতি জানিয়েছেন তারা।
ঈদগড় ফাঁড়ির সার্বিক কার্যক্রম ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইনচার্জ খোরশেদ আলম জানান, আমি ঈদগড় ফাঁড়িতে শুধু একজন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি না, বরং জনগণের সেবক হিসেবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। ডাকাতসহ সকল অপরাধীকে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে। আমি যতদিন দায়িত্ব পালন করব, কোনো অন্যায়কারীকে বিন্দুমাত্র প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
এলাকাবাসীর মতে, রামু থানার গতিশীল নেতৃত্ব এবং ঈদগড় ফাঁড়ি পুলিশের এমন জোরালো পদক্ষেপের ফলে অপরাধীদের ভিত কেঁপে উঠেছে। প্রশাসনের এ ধারাবাহিক কঠোর অবস্থান বজায় থাকলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এলাকাটি সম্পূর্ণ অপরাধ ও ডাকাতমুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।