
অনলাইন ডেক্স: আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণ যেমন খেলার মাঠে তেমনি সামাজিক মাধ্যমে এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলের আলোচনায় মুখর।
মাঝমাঠ থেকে বিদ্যুদ্বেগে বল নিয়ে আক্রমণে ওঠা, ডান প্রান্ত দিয়ে হাসানের সেই চোখের পলকে ডিফেন্ডারদের ছিটকে দেওয়া দৌড়, বক্সে থাকা মোহাম্মদ সালাহর দিকে নিখুঁত পাস আর বাঁ দিক থেকে চিতার গতিতে ছুটে এসে জিকোর সেই মারণাঘাত—সব মিলিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার রক্ষণকে তাসের ঘরের মতো ভেঙে দিয়ে জালের খোঁজ পেয়েছিল মিসর।
গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে পরাস্ত করে বল জালে জড়াতেই বাঁধভাঙা উল্লাসে মেতেছিল ফারাওরা। কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দিল না আধুনিক ফুটবলের প্রযুক্তি ‘ভিএআর’। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির চাদরে ঢাকা পড়ে গেল মিসরের মহাকাব্যিক গোল।
গোল উদযাপনের রেশ কাটতে না কাটতেই রেফারিকে ভিএআর মনিটরের দিকে যাওয়ার ইশারা করতে দেখা যায়।
আর তাতেই মুহূর্তের মধ্যে স্তব্ধ হয়ে যায় মিসরের ডাগআউট, অন্যদিকে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে আলবিসেলেস্তেরা।
ভিডিও রিপ্লেতে দেখা যায়, আক্রমণের সূচনালগ্নে মিসরের নিজেদের অর্ধে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে অন্যায়ভাবে টেনে ধরেছিলেন মারওয়ান আতিয়া। ঘটনাটি রেফারি ফাউল হিসেবে বিবেচনা করেন। ভিএআরের নিখুঁত পর্যালোচনার পর মাঠের রেফারি আগের সিদ্ধান্ত বদলে আর্জেন্টিনাকে ফ্রি-কিক দেন এবং মিসরের গোলটি বাতিল ঘোষণা করেন
ফিফার আইন অনুযায়ী রেফারির এই সিদ্ধান্তটি শতভাগ আইনসম্মত হলেও এমন চোখধাঁধানো এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে আসা গোল বাতিল হওয়াটা নিশ্চিতভাবেই মিসরের জন্য ছিল এক বিরাট মনস্তাত্ত্বিক ধাক্কা। আর সেই থাক্কা সামলে ফলাফল নিজেদের করে নিতে পারেনি তারা।
a/j