বিশেষ প্রতিনিধি:
সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার শেওলা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল আউয়ালের বক্তব্য সংবাদমাধ্যমে প্রচার না হওয়াকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের ‘ম্যানেজ’ করার প্রসঙ্গ সামনে এসেছে। সম্প্রতি ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি। তবে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহকারী সচিব
সিলেট জেলা সভাপতি ও দৈনিক আজকের বসুন্ধরা পত্রিকা বিশেষ প্রতিনিধি এবং জাতীয় দৈনিক বর্তমান পএিকা স্টাফ রিপোর্টার এম. এ. রশীদ দীর্ঘদিন থেকে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার বক্তব্যে এম এ রশীদ বলেন
তাঁকে কেউ ম্যানেজ করেননি; বরং এলাকায় সংঘাত এড়াতেই তিনি আব্দুল আউয়ালের বক্তব্য প্রচার করেননি।
জানা গেছে, সম্প্রতি একটি সভায় আব্দুল আউয়ালের বক্তব্য সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত হয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ফেসবুকে ভিডিও বার্তা দেন। এতে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করে সাংবাদিকদের ম্যানেজ করে তাঁর বক্তব্য প্রচার করা হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এ বিষয়ে সাংবাদিক এম. এ. রশীদ বলেন, তাঁকে কেউ ম্যানেজ করেননি। আব্দুল আউয়ালের বক্তব্য সংবাদ হিসেবে প্রচার করলে উপস্থিত সচেতন মহলের মধ্যে সংঘাতের আশঙ্কা ছিল বলে তিনি মনে করেন। এলাকায় কোনো ধরনের সংঘাত সৃষ্টি হোক, তা তিনি চাননি। এ কারণে তিনি বক্তব্যটি সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করা থেকে বিরত ছিলেন।
এম. এ. রশীদ বলেন, ‘কোনো সাংবাদিক কারও তাঁবেদার নন,কারো তাঁবেদারি করেনা, সাংবাদিক স্বাধীন।’ তাঁর বক্তব্য, কাউকে ম্যানেজ করার কারণে নয়, বরং এলাকার শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই তিনি আব্দুল আউয়ালের বক্তব্য প্রচার করেননি।
সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে স্বাধীনতা, নিরপেক্ষতা ও পেশাগত বিবেচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ঘটনায় আব্দুল আউয়ালের ভিডিও বার্তা এবং সাংবাদিক এম. এ. রশীদের বক্তব্য ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
পেশাগত বিবেচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ঘটনায় আব্দুল আউয়ালের ভিডিও বার্তা এবং সাংবাদিক এম. এ. রশীদের বক্তব্য ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।