
অনলাইন ডেক্স:
যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচটা অতিরিক্ত সময়ে গড়াচ্ছে, তখনই মার্তিনেল্লির বাজিমাত। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে ব্রুনো গিমারায়েসের পাস থেকে বল পেয়ে জাপানের জাল কাঁপান তিনি। এর মধ্য দিয়ে এশিয়া মহাদেশের একমাত্র প্রতিনিধিদের বিদায় নিশ্চিত হয়।
শেষ ষোলো পর্বে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ নরওয়ে অথবা আইভরি কোস্ট। দুই যুগ পর বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও জিতল ব্রাজিল।
সর্বশেষ ২০০২ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও জিতেছিল তারা। সেই ম্যাচেরও ফল ছিল ২-১।
হিউস্টনে ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ রেখেছিল ব্রাজিল। কিন্তু খেলার ধারার বিপরীতে এগিয়ে যায় জাপান। ২৯ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নিখুঁত এক শটে ব্রাজিল গোলকিপার আলিসন বেকারকে পরাস্ত করেন জাপানের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার কাইশু সানো।
আজ ভিনিসিয়ুস জুনিয়র-মাথেউস কুনিয়াদের স্বাভাবিক খেলা খেলতে দেয়নি জাপান। ১৪ মিনিটে কুনিয়ার শট কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান জাপানের গোলকিপার জিয়ন সুজুকি। কর্নার থেকেই বল পেয়ে বাঁকানো শট নিয়েছিলেন ব্রুনো গিমারায়েস। কিন্তু তার শট দূরের পোস্ট দিয়ে চলে যায়।
১৫ মিনিট জুনিয়া ইতোকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন কাসেমিরো। এবারের বিশ্বকাপে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার হলুদ কার্ড দেখলেন এই মিডফিল্ডার।
সুফল পায় ৫৬ মিনিটে। গ্যাব্রিয়েল মাগালিয়ায়েসের পাস থেকে বক্সের ডান পাশ থেকে লাফিয়ে উঠে হেডে গোল করেন কাসেমিরো। তবে শেষ দিকে আর ভাগ্য সহায় হয়নি জাপানের। তবে এশিয়ার এই দলটি এবার সবার মন জয় করে নিয়েছে।
এ/জে