
জামালপুর প্রতিনিধি:
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে জীবন বীমার প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দিয়ে মৃত দুই গ্রাহকের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। গ্রাহক শিউলী বেগম ও লিটন মিয়ার অকাল মৃত্যুর পর তাদের মনোনীত নমিনিদের হাতে মোট ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করেছে প্রতিষ্ঠানটি। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের মুনারপাড়া এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মরহুম শিউলী বেগমের নমিনির হাতে ৮০ হাজার টাকা এবং মরহুম লিটন মিয়ার নমিনির হাতে ২ লাখ ৯০ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চেক হস্তান্তর করেন উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও পোগলদিঘা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশীদ ফকির।
সরিষাবাড়ী উপজেলার আরামনগর শাখার ইনচার্জ মো. রিপন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ময়মনসিংহ বিভাগীয় সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম হাসান জামাল, ঘাটাইল সদর জোনাল ইনচার্জ মো. শিবলু মিয়া, জামালপুর জোনাল অফিসের জুনিয়র অফিসার (ক্যাশ) মো. আল আমিন এবং আরামনগর শাখা অফিসের জুনিয়র অফিসার (ক্যাশ) মো. রাকিব হাসানসহ অন্যান্যরা।
বক্তব্যে সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম হাসান জামাল বলেন, “গ্রাহকের দুঃসময়ে বেস্ট ইসলামী লাইফ সবসময় পাশে থাকে। বীমা শুধু একটি পলিসি নয়, এটি বিপদের সময়ে একটি পরিবারের সবচেয়ে বড় আর্থিক ভরসা। গ্রাহক যখন প্রিমিয়াম পরিশোধ করেন, তখন তিনি একটি বিশ্বাসের ওপর বিনিয়োগ করেন। সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষা করেই প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর রেকর্ড সময়ের মধ্যে আমরা দাবি পরিশোধ করেছি। আশা করি, এই অর্থ শোকসন্তপ্ত পরিবারের ভবিষ্যৎ পথচলায় কিছুটা হলেও সহায়ক হবে।” চেক গ্রহণের পর মরহুমা শিউলী বেগমের স্বামী আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “আমার স্ত্রী কষ্ট করে জীবন বীমা করেছিলেন। কয়েকটি কিস্তি পরিশোধের পরই তিনি মারা যান। কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই দ্রুত দাবি পরিশোধ করায় আমরা আর্থিকভাবে অনেকটা স্বস্তি পেয়েছি। এই সহযোগিতা আমাদের নতুন করে বেঁচে থাকার সাহস জুগিয়েছে।”
উল্লেখ্য, মরহুম শিউলী বেগম ও লিটন মিয়া কয়েক বছর আগে বেস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে জীবন বীমা পলিসি গ্রহণ করেছিলেন। তাদের মৃত্যুর পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা ও নিয়ম অনুযায়ী যাচাই-বাছাই শেষে দ্রুততম সময়ে মনোনীত নমিনিদের কাছে বীমা দাবির অর্থ পরিশোধ করেছে কোম্পানিটি। জে/এ
