
কক্সবাজারের রামুতে এসআরবি-১৫ এর অভিযানে ৩ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার
মোঃ মোরশেদ,(জেলা প্রতিনিধি) কক্সবাজার।
কক্সবাজারের রামু কচ্ছপিয়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে, এক মাদক কারবারীকে আটক করে এসআরবি-১৫।
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আত্মপ্রকাশের পর থেকে বাংলাদেশে অপরাধ নির্মূলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশিত মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার প্রতিরোধ এবং মাদক কারবারিদের আইনের আওতায় আনতে এসআরবি নিয়মিতভাবে গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা নজরদারি ও তৎপরতা বৃদ্ধি করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৫, সিপিএসসি, কক্সবাজারের একটি চৌকস আভিযানিক দল গত (২৮ অক্টোবর) আনুমানিক ১টা ৪৫মিনিটে জানতে পারে, কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন কচ্ছপিয়া এলাকায় কতিপয় ব্যক্তি মাদক দ্রব্য ক্রয় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে আভিযানিক দলটি আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ মৌলভীরকাটা কেচোবুুনিয়াছড়া জেবর মল্লিকের চাষের জমিতে মাদক দ্রব্য উদ্ধারে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। আভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে খালেদা বেগম(৪০) নামে এক নারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় আভিযানিক দলটি।
পরবর্তীতে, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত খালেদা বেগমের স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ মৌলভীরকাটা কেচোবুুনিয়াছড়া দক্ষিণ পশ্চিম দিকে জেবর মল্লিকের চাষের জমির পাশে বাঁশের সাকো সংলগ্ন নালার পানির নিচে তল্লাশী চালিয়ে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ৩ (তিন) লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক কারবারের কাজে ব্যবহৃত ০১টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও ০১টি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত খালেদা বেগম(৪০) কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন কচ্ছপিয়া দক্ষিণ মৌলভীরকাটা এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা কাদের হোছন এবং মাতা খতিজা বেগম। তার বিরুদ্ধে মাদক কারবার ও পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট তাঁর দুই ছেলেসহ একাধিক সহযোগী পলাতক রয়েছে। পলাতক মাদক কারবারিদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত নারী মাদক কারবারির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রণের জন্য উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট এবং জব্দকৃত মোবাইল ফোনসহ রামু থানায় হস্তান্তর হয়েছে। মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধ, যুবসমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা এবং মাদক কারবারিদের অবৈধ কর্মকাণ্ড নির্মূলে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৫ এর গোয়েন্দা নজরদারি ও মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।