
এম আব্দুর রাজ্জাক,স্টাফ রিপোর্টার –
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত ও সৃষ্টিকর্ম নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে রাজশাহীতে বিভাগীয় পর্যায়ে নজরুল বিষয়ক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
(২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ) রাজশাহী শিল্পকলা একাডেমিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবং রাজশাহী বিভাগীয় প্রশাসনের বাস্তবায়নে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন ও রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহীদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর (ভারপ্রাপ্ত ) বিভাগীয় কমিশনার মো. রেজাউল আলম সরকার।
এ সময় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান অ্যাডভোকেট আয়েশা সিদ্দিকা।
প্রতিযোগিতায় রাজশাহী বিভাগের আট জেলা—রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাট থেকে জেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
বিভিন্ন সাংস্কৃতিক বিষয়ে প্রতিযোগিতা শেষে বিচারকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়। পরে অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট, সনদপত্র ও পুরস্কার তুলে দেন।
আয়োজক ও সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা আরও ছড়িয়ে পড়বে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন ও রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহীদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. রেজাউল আলম সরকার।
এ সময় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীকে উত্তরীও পরিয়ে দেন অ্যাডভোকেট আয়েশা সিদ্দিকা।
প্রতিযোগিতায় রাজশাহী বিভাগের আট জেলা—রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাট থেকে জেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
বিভিন্ন সাংস্কৃতিক বিষয়ে প্রতিযোগিতা শেষে বিচারকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়। পরে অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট, সনদপত্র ও পুরস্কার তুলে দেন।
আয়োজক ও সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা আরও ছড়িয়ে পড়বে।