
দিপংকর বনিক, দিরাই প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. শংকর চন্দ্র দাস আর নেই। তিনি উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের চান্দপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা গোষ্ঠ লাল দাসের ছেলে।
দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগছিলেন ডা. শংকর চন্দ্র দাস। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিলেটের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৯ মে রাত ১১টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৪ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই পুত্রসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শনিবার সকাল ১০টায় চান্দপুর শ্মশানঘাটে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
ডা. শংকর চন্দ্র দাস দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে নিষ্ঠা, সততা ও মানবিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসেবে তিনি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর কর্মদক্ষতা ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি সহকর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুতে দিরাই উপজেলাসহ সমগ্র অঞ্চলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোক প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক -সহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য খাতে ডা. শংকর চন্দ্র দাসের অবদান এলাকাবাসী দীর্ঘদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
Share this news as a Photo Card
Generating high-quality image, please wait...