
এম আব্দুর রাজ্জাক, স্টাফ রিপোর্টার :
বগুড়ার আদমদিঘী থানায় কর্মরত কনস্টেবল ৮৯৩, মো. রানা মাসুদ বিপি নং (৮৪০৫০৭৩৩০৫), তার পৈতৃক নিবাস পাঁচবিবি উপজেলার জয়পুরহাট জেলায়।
কনস্টেবল রানা মাসুদ বর্তমানে আদমদীঘি থানায় কর্মরত থাকলেও গড়হাজিরা থাকিয়া বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে মানববন্ধন করতেছে।
জানা যায় যে, কনস্টেবল রানা মাসুদের মেয়ে মিস. তাসনিয়া আরা তামান্না (১৭) একজন নাবালিকা মেয়ে। সে এক প্রতিবেশী যুবক মো. শাহিদ হোসেনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, একপর্যায়ে ওই যুবকের সঙ্গে হঠাৎ উধাও হয়। মেয়েটি পরিবারে অবাধ্য সন্তান এই ঘটনার পূর্বে ৬ বার তার সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিল।
এ বিষয়ে কনস্টেবল রানা মাসুদের তৃতীয় স্ত্রী থানায় এজাহার দাখিল করে এবং পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করে এবং বিজ্ঞ আদালতে নিকট হাজির করলে বিজ্ঞ আদালত তার বাবার জিম্মায় মেয়েটিকে প্রদান করেন।
কনস্টেবল রানা মাসুদের মেয়ে বাবার জিম্মায় কিছুদিন থাকার পর ওই তরুণী স্বেচ্ছায় ওই যুবকের সঙ্গে আবার চলে যান। এ প্রেক্ষিতে পুনরায় মামলা দায়ের হয়। মামলাটি বর্তমানে জেলা গোয়েন্দা শাখা ( ডিবি) -এর তদন্তাধীন রয়েছে।
কনস্টেবল রানা মাসুদ মোট ৩ টি বিয়ে করেন, মিস তাসনিয়া আরা তামান্না ১ম স্ত্রীর পক্ষের মেয়ে। বর্তমান কনস্টেবল মাসুদ রানার তৃতীয় স্ত্রী একমাত্র রয়েছে।
কনস্টেবল রানা মাসুদ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা এবং মানববন্ধনে ভুয়া তথ্য দিয়ে বিভান্তিকর সংবাদ প্রচার করছে।
এক ভিডিও বার্তায় কনস্টেবল রানা মাসুদের মেয়ে মিস. তাসনিয়া আরা তামান্না বক্তব্য প্রদান করেন, আমি স্বেচ্ছায় এবং ভালোবেসে মো. শাহিদ হোসেনের সঙ্গে রয়েছি এবং ভালো আছি। আমার বাবা কনস্টেবল রানা মাসুদ আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
কনস্টেবল রানা মাসুদ, আদমদিঘী থানা (ওসি ) এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং ভুয়া তথ্য সংক্রান্ত ছড়াচ্ছে, যা তার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
জনসাধারণকে যাচাইকৃত তথ্য ভিত্তিতে মতামত প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হলো।