
এম আব্দুর রাজ্জাক, স্টাফ রিপোর্টার-
সমাজ থেকে এসিড সন্ত্রাস নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। একই ভাবে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করে দেন তিনি। শনিবার (১৩ জুন) বেলা পৌনে ১২টার দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে আইনি সুরক্ষা: চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকার শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। রাজশাহী নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় এই সেমিনারের আয়োজন করে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়। মিজানুর রহমান মিনু আরও বলেন, রাজশাহী আজ যে চিন্তা করে পুরো দেশ সেটা পরে চিন্তা কারে। এ কারণে রাজশাহী পাইওনিয়ার। আমরা গোটা জাতিকে এমন কিছু উপহার দিব যা থেকে সবাই উপকৃত হবে। তিনি আরও বলেন, দেশের অন্য অঞ্চলের চেয়ে রাজশাহী ভিন্ন, কারণ এই বিভাগের মানুষ সবচাইতে সহনশীল ও ধৈর্যশীল। এটা আমাদেরকেই ধরে রাখতে হবে।

রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান আলী পিপিএম (বার) পিএইচডি, এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, নওগাঁ-৩ আসনের এমপি ফজলে হুদা, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার আ. ন. ম. বজলুর রশিদ, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ এইচ এম মাহামুদুর রহমান, বিচারক শারমিন আক্তার এবং রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. ফয়েজুল কবির।
সেমিনারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের কর্মর্কর্তা, বিচারক ও আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, মানবাধিকার কর্মী, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রী, আইনজীবীগণ, এনজিও প্রতিনিধিগণ, মামলার বাদী এবং ভিকটিম গণ অংশ নেন। বক্তারা নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ আইনের কার্যকর প্রয়োগ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার উপর জোর দেন।
রাজশাহী বিভাগীয় অতিরিক্ত কমিশনার মো, হাবিবুর রহমান বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে, এক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি প্রশাসন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিচারবিভাগ গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানান। যার যার অবস্থার থেকে সঠিক ও সুন্দরভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে নারীর শিশু নির্যাতন নিয়ন্ত্রণ পদক্ষেপ গ্রহণ করলে এ ব্যাধি থেকে সমাজ ও রাষ্ট্র মুক্তি পাবে। এছাড়াও বিশেষ অতিথিগণ বলেন, নারী নির্যাতন একটি সামাজিক ব্যাধি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, শুধু একটি পরিবার বা ব্যক্তিকে নয়, বরং সংগ্রহ সমাজ ও রাষ্ট্রের ও উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে বিদ্যমান আইন সমূহের যথাযথ দ্রুত বিচার নিশ্চিত করণ, ভুক্তভোগীদের আইনিও মানসিক সহায়তা প্রদান, সাক্ষী,সুরক্ষা এবং জনগণের সচেতনাবৃদ্ধি করতে হবে। উক্ত আলোচনায় বক্তাগণ বলেন, প্রযুক্তি প্রসারে সাথে সাইবার হয়রানি, অনলাইন, ব্লাকমেইল সহিংসতা, যৌন নির্যাতন চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এ সেমিনারে বিভিন্ন পেশার ১০০ জন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন। জে/এ
