
বিশেষ প্রতিনিধি
দীর্ঘ ৮ মাস ১৪ দিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের হিলি
স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে।আজ সোমবার বিকেল ৪ টায় ভারত থেকে ৩টি মরিচ বোঝাই ভারতীয় ট্রাক বন্দরে প্রবেশের মধ্য দিয়ে আমদানি শুরু হয়। আমদানিকারক পলাশ জানান, দক্ষিণ অঞ্চলে বন্যায় প্লাবিত হওয়ায় অনেক মরিচের ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়াই দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের দাম বৃদ্ধি হয়। তাই দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে গতকাল সরকার কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিলে আজকে আমরা আমদানি শুরু করি। আজকে ভারতীয় ৩ ট্রাকে ২১ ট্রন কাচামরিচ আমদানি হয়েছে। এসব মরিচ ভারতের নাসিক থেকে আমদানি করা হয়েছে, প্রতিটন মরিচ ৩শ ডলারে আমদানি করছেন তারা। সেই সাথে শুল্ক, ভ্যাট, লোড-আনলোড মিলে অনেক দাম কমে বিক্রি হবে।
এর আগে গেল বছরের ২০ নভেম্বর সর্বশেষ এ বন্দর দিয়ে আমদানি হয়েছে। এরপর আমদানির অনুমতি পত্র (আইপি) বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে আমদানির খবরে হিলি বন্দর এলাকায় খুচরা পর্যায়ে কেজিতে ৩০ টাকা দাম কমেছে। সকালে যে কাঁচা মরিচ ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। তা এক লাফে ৩০ টাকা কমে ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী উজ্জ্বল হোসেন জানান, এ বন্দরের ৬৯ জন ব্যাবসায়ী ২৯ হাজার ৭১০ টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি পত্র (আইপি) পেয়েছেন। যা সোমবার থেকে আমদানি শুরু হয়েছে। কাঁচা মরিচ পচনশীল পন্য যাতে ব্যাবসায়ীরা ক্ষতির মুখে না পড়ে তাই অগ্রাধীকার ভিত্তিতে কাচাঁ মরিচের কোয়ারেন্টাইন ছাড় পত্র প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হিলি শুল্ক স্টেশন সহকারি কমিশনার খন্দকার সোলায়মান বলেন, বর্তমান দেশের বাজারে কাঁচামরিচের দাম ঊর্ধ্বগতি হওয়ায় সরকার ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দেন গত কালকে। এ লক্ষ্যে আজকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় ৩ ট্রাকে ২১ ট্রন ১২০ কেজি কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। কাঁচা মরিচ পচনশীল দ্রব্য তাই আমরা দ্রুত কাস্টমের সকল প্রক্রিয়া শেষে খালাশের ব্যবস্থা করবো যাতে আমদানিকারকরা যেন বাজার যাত করতে পারেন দ্রুত। জে/এ
