
মাইনুল ইসলাম রাজু আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:
বরগুনার আমতলীতে খাঁচায় বন্দী করে বিক্রির জন্য রাখা দুটি টিয়াপাখি, দুটি অস্ট্রেলিয়ান ঘুঘু ও তিনটি দেশি ঘুঘুসহ সাতটি পাখি উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ। পরে উদ্ধার করা পাখিগুলো বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আমতলী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন বাজার এলাকার ‘পাখি সাজঘর’ থেকে পাখিগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে পাখিগুলো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখান থেকে নিরাপদ পরিবেশে পাখিগুলো বনে অবমুক্ত করা হয়।
জানা গেছে, পটুয়াখালী এনিম্যাল লাভারসের টিম লিডার মো. আমিরুল ইসলাম ও সহযোগী টিম লিডার তুষার আহমেদের কাছ থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে আমতলী উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. মনিরুল হক অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ‘পাখি সাজঘর’-এর মালিক মো. কবির হোসেন ওরফে ‘পাখি কবিরের’ কাছ থেকে খাঁচায় বন্দী অবস্থায় দুটি টিয়াপাখি, দুটি অস্ট্রেলিয়ান ঘুঘু ও তিনটি দেশি ঘুঘু উদ্ধার করা হয়।
পটুয়াখালী এনিম্যাল লাভারসের আমতলী উপজেলা টিম লিডার মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, “উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা আমাদের কাজে অনুপ্রাণিত করে।”
আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন, ২০১২-এর ১৮(ক) ধারায় বন্যপ্রাণী শিকার, ধরা, ক্রয়-বিক্রয়, জবরদখলে রাখা ও পাচার করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ঘটনায় পাখি সাজঘরের মালিকের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। উদ্ধার করা সাতটি পাখি বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পটুয়াখালী এনিম্যাল লাভারসের সদস্যদের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। অবৈধভাবে পাখি শিকার ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের সতর্ক করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।