
শিব্বির দেওয়ান,
কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি-
কমলনগর উপজেলার সাহেবের হাট ইউনিয়নে চর মাতাব্বর-চর কটরিয়া অবস্থিত। প্রাকৃতিক নিয়ম আর ভাঙ্গন কবলে কমলনগরের সাহেবের হাট ইউনিয়নের অধিকাংশ কালকিনির অধিকাংশ চর ফল কন ইউনিয়ের কিছু অংশ পাটওয়ারীর হাটের কিছু অংশ মেঘনা নদীর কবলে কালের গর্ভে বিলিন। ১১/১২ সাল থেকে ভাঙ্গন শুরু এখন ও ভাঙ্গন খেলা চলমান। প্রতিকারে বাঁধ নির্মান ও জিও ব্যাগ স্থাপন প্রকল্প চলমান। কাজ ধীর গতিতে চলছে ফলে ভাঙ্গন মিছিল থামছে না। এতটুকু স্থস্তির মাঝে চর মাতাব্বর ও চর কটরিয়া নদী থেকে চরে রুপান্তর প্রকাশ পায়। নদী ভাঙ্গা মানুষের মনে আশা জাগে। হেক্টর হেক্টর জমি স্কুল মাদ্রসা বসতি সব হারিয়ে নদী উপকূল মানুষ নিঃস্ব হয়েছে। আজো কান্নার আওয়াজ শুনা যায়। চর জাগ্রত হয়েছে-আজ কান্না ভুলে হাসির কথা। কিন্তু কে শুনে কার কথা। চর দখলের মহোৎসব চলছে। যারা প্রকৃত মালিক তারা দিশাহীন ভূমি খাদকের অত্যাচারে। প্রতিকার মিলছে না। ফলে যে কোন মুহূর্তে চরকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটতে পারে। প্রশাসন অবগত আছে। কিন্তু ধরি মাছ না ছুঁই পানি। প্রতিকারে মিলছে না স্থস্তি। চর ফলকন আর সাহেবের হাটের মধ্য মনি মাতাব্বর হাট বাজার। যা মাতাব্বর গং দের নামে নামকরণ। মাতাব্বর হাট বাজার বরাবর উওর দক্ষিণ পশ্চিমে সব দিকটায় মাতাব্বর পরিবারের হেক্টর হেক্টর জমি। পাড়া প্রতিবেশির তো আছে ই। কিন্তু অন্য কেউ চর দখলে মশগুল। দলিল যায় জমি তার ভূমি দস্যুরা তা মানতে নারাজ। আর এই ভূমিদস্যুদের কলকাটি নাড়ছে কে? সেটি এখন তদন্তের দাবি রাখে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। ভূমি হীন দের কে তার প্রকৃত মালিকানা বুঝিয়ে দেবে এটাই জনগনের প্রত্যাশা।
সে প্রত্যাশা পূরনে সাহেবের হাটবাসী ঐক্যের ডাক দিয়ে প্রতিকার চেয়েছে। চরজগবন্ধু মাতব্বর চর এবং ঐতিহ্যবাহী মাতব্বর নগর ২০১৩ সালে মেঘনা নদীর ভাঙ্গনের ফলে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়, উক্ত মাতাব্বর চরের প্রায় বিশ হাজার পরিবার তাদের ফসলি জমি, বসত বাড়ি এবং কবর বাড়ি সহ প্রায় ৩ হাজার একর জমির সর্বস্ব হারিয়ে নিঃশ্ব হয়ে যায়। বিগত ৩ বছর পূর্ব থেকে হারিয়ে যাওয়া জগবন্ধু মাতব্বর চরটি পুনরায় চর দিতে শুরু করে। বর্তমানে চরটি সম্পূর্ণ রুপে দৃশ্যমান এবং চাষাবাদ উপযোগী হয়ে উঠছে। এমতাবস্থায় হারিয়ে ফেলা জমির মালিকগণ তাদের প্রকৃত মালিকানা জমিতে ফিরে যাওয়ার জন্য সরকারের যাবতীয় রাজস্ব খাজনাদি পরিশোধ করা শুরু করে এবং জমির দেখভাল করে আসছে।
এরই মাঝে জমির প্রকৃত মালিক নন এমন বহিরাগত কতিপয় বিপদগামী ব্যক্তি একটি চক্রের ইন্ধনে চরটি দখল করা সহ ঘর তোলা এবং ২৫ লক্ষ টাকা মূল্যে মহিষ মালিকদের নিকট ঘাস বিক্রির মত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং ঘাস বিক্রি করেছে। এই বিষয়ে কমলনগর থানা প্রশাসন ভুক্তভোগীদের বিষয়টি অবগত হওয়া সত্বেও কোনরূপ পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় অসাধু ভুমিদস্যুরা পুনরায় নতুন করে জমিতে ঘর তোলার দুঃসাহস দেখিয়ে যাচ্ছে। জগবন্ধু বাসি ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের প্রকৃত মালিকানা পৌত্রিক সম্পত্তি ভিটে মাটি রক্ষার দাবিতে ঝাঁপিয়ে পড়া সময়ের দাবি। কমলনগরে চর মাতাব্বর দখলের মহোৎসব চলছে প্রকৃত মালিকেরা জমি বুঝে পেতে প্রতিকারে জাগ্রত দ্বারে দ্বারে।
