
মাগুরা জেলার শালিখা উপজ
বিশেষ প্রতিনিধি
ঘুষ,দূর্নীতি ও অনিয়মের স্বর্গরাজ্য কায়েম করে চলেছেন টিইও হেনায়ারা খানম।
শ্রান্তি বিনোদন ভাতায় শিক্ষক প্রতি ৫ শত টাকা গোপনে কালেকশন করেও ত্রুটিপূর্ন বিল দাখিল করেছেন এজি অফিসে।
ফলে বারবার বিল আপত্তি দিয়ে এজি অফিস ফেরত পাঠালেও বিল সংশোধন না করে অনৈতিকভাবে এজি অফিসকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেও এজি অফিসের দৃড়তার কারনে বিল ফেরত আসে।

খোজ নিয়ে জানা যায়,এজি অফিস থেকে বলা হয়েছে নিয়ম মেনে বিল সাবমিট করলেই এজি বিল পাশ করে দিয়ে থাকেন।
২৬০ জন শিক্ষকের কাছ থেকে জনপ্রতি ৫০০ টাকা ঘুষ নিয়ে টিইও হেনায়ারা খানম শিক্ষকদের বিল দিতে গড়িমষি করছেন।
এদিকে হেনায়ারা ২/৩ জন সহকারী শিক্ষক দিয়ে অফিস পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
উক্ত সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের তোয়াক্কা না করে অফিসে এসে বসে থাকেন ও হেনায়ারা খানমের ব্যক্তিগত কাজ করে থাকেন।
ফলে শালিখার শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে বলে অনেক শিক্ষক অভিযোগ করেছেন।
মুলতঃ যেসকল শিক্ষক টিইও হেনায়ারা খানমের ঘুষ কালেকশন করে থাকেন তারাই শালিখা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস চালাচ্ছেন।
ফলে কেরানী, প্রধান শিক্ষক ও এটিইওদের কোন কাজ নাই।
এরই ফলশ্রুতিতে অদ্য ২১শে মে বিকালে টিইও হেনায়ারা খানম তার অফিস সহকারী সমীরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও শারিরিকভাবে হেনস্থা করেন।
এক্ষেত্রে হেনায়ারা খানমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী আনোয়ারুল কবীর কাজল অফিস সহকারী সমীরকে গালিগালাজ ও লাঞ্চিত করেন।
বিষয়টি শিক্ষকদের মধ্যে প্রচার হলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী একজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন টিইও হেনায়ারার নির্দেশে সমীর বাবুকে উক্ত শিক্ষক লাঞ্চিত করেন।
একটা সরকারী অফিসে এরম মাস্তান পুষে হেনায়ারা খানম শালিখার ভাবমূর্তি নষ্ট করে চলেছে বারবার।
পূর্বের স্টেশনে ঘুষের সাজাপ্রাপ্ত হেনায়ারা অফিসে ঘোষনা দিয়েছেন শালিখাতে তিনি ১০ বছর থাকার লাইসেন্স নিয়ে এসেছেন।
বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক ও মন্ত্রী মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন শালিখার আপামর জনগন।