
এম এ রশীদ, বিশেষ প্রতিনিধি:
মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিকতা সবসময়ই নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। রাজনৈতিক প্রভাব, অপরাধ জগতের হুমকি-ধমকি, পেশাগত অনিশ্চয়তা এবং নিরাপত্তাহীনতা দীর্ঘদিন ধরেই সাংবাদিকদের জন্য উদ্বেগের বিষয়। এসব বাস্তবতা মোকাবেলায় সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়িয়ে যৌক্তিক ও কার্যকর ভূমিকা রেখে চলেছে দেশের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা।
“কলম ও সাংবাদিক নিরাপদ” এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগঠনটি বিগত ৪৪ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে। ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি দেশের সাংবাদিক সমাজে ঐক্য, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মেহেরপুরের সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ আলমগীর গনি। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং নেতৃত্বগুণের মাধ্যমে তিনি সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করে তুলেছেন। তাঁর কর্ম পরিকল্পনা, বিচক্ষণতা ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রশংসিত হয়েছে।
সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, নৈতিকতা চর্চা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তুলতে তিনি নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নবীন সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতেও তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাংবাদিক সমাজের মধ্যে ঐক্যের বন্ধন সুদৃঢ় করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন তিনি। সাংবাদিকতার পাশাপাশি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ আলমগীর গনি বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় সম্পাদকীয়, মতামত, পরামর্শমূলক লেখা এবং অতিথি কলাম রচনা করে থাকেন। সমাজ, রাষ্ট্র, গণমাধ্যম এবং সমসাময়িক বিষয় নিয়ে তাঁর লেখালেখি পাঠকমহলে সমাদৃত। দেশজুড়ে অসংখ্য নবীন সাংবাদিককে পেশাগতভাবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ভূমিকা আজ স্বীকৃত। সেই ধারাবাহিকতায় সংগঠনের মহাসচিব হিসেবে আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ আলমগীর গনি সাংবাদিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে এক নিবেদিত সংগঠক হিসেবে কাজ করে চলেছেন। তাঁর নেতৃত্বে সংগঠনটি ভবিষ্যতেও সাংবাদিক সমাজের কল্যাণে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে,এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।