
রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
রংপুর নগরীতে একই পরিবারের চারজনকে খুনের ঘটনায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন,’ সুষ্ঠ্য তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে। এর আগে রংপুরে এতবড় হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেনি।’ তিনি আরো বলেন,’ এই হত্যাকান্ডকে আমরা কোনভাবেই মেনে নিতে পারি নাই। যদিও এ হত্যাকান্ডটির রহস্য উম্মোচনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা আছে। তদন্তে হয়তো বিভিন্ন ধরনের উপসর্গ তৈরি হচ্ছে। এজন্য তদন্তে একটু সময় লাগতেছে। তবে আমরা চাই সুষ্ঠ্য তদন্তের মাধ্যমে সত্যিকারে যারা দোষি এবং হত্যাকান্ডের পিছনে যদি কেউ জড়িত থাকে তাদেরকে উম্মোচিত করে তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসাটাই হচ্ছে আমাদের কাছে সবচেয়ে জরুরি।’ শনিবার দুপুরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনকালে ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন,’ এ হত্যাকান্ডটির রহস্য উম্মোচনে আমরা একটু সময় নিচ্ছি। আশা করি খুব অল্প কিছুদিনের মধ্যেই হয়তো সুষ্ঠ্য তদন্তের মাধ্যমে একটি চার্জশিট দিয়ে দ্রুততম সময়ে মধ্যে বিচার কাজ শেষ করতে পারবো।’ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রংপুর মহানগর ডিবির অফিসার্স ইনচার্ (ওসি) জিন্নাত আলী জানান, ঘটনাস্থল থেকে সিআইডি ৩৫টি আলামত সংগ্রহ করেছিলো। এসব আলামত ডিএনএ পরীক্ষার জন্য বৃহস্পতিবার সিআইডি ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্ট পেলেই এ ঘটনায় গ্রেফতার দুই যুবকের দেওয়া জবানবন্দির বৈজ্ঞানিক সত্যতা যাচাই করা যাবে। ফরেনসিক রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছি। ’এ হত্যাকান্ডের ঘটনাটি তদন্ত করতে গিয়ে আমরা বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত পাচ্ছি। এসব তথ্য গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এসব তথ্য আপাতত প্রকাশ করছি না,’ তিনি বলেন। গত ২২ আগষ্ট শনিবার রাত ১১টার দিকে রংপুর নগরীর দাসপাড়া (মাছুয়াপাড়া) এলাকায় রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) ও ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ২১ আগষ্ট শুক্রবার সকালে তাদেরকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় ২৩ আগষ্ট রবিবার ভোরে একই এলাকার দুই যুবক সিদ্ধার্থ দাস (১৯) ও মুগ্ধ দাসকে (২৩) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।