এম এ রশীদ:
চারখাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তার প্রধান দায়িত্বে মোছাম্মৎ শামীমা আক্তার। নামঝারি রিপোর্ট, খাজনা ও দাখিলা সহ বিভিন্ন সেবায় ঘুষ ছাড়া কাজ করেন না ওই কর্মকর্তা। তার দুর্নীতির ও ঘুষের কারণে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ খুবই অসহায়। সরকারিভাবে অফিস টাইম হচ্ছে সকাল ১০:০০ টা থেকে ০৪:০০ টা পর্যন্ত কিন্তু আলিনগর ইউনিয়নের একজন প্রবাসী ব্যক্তি নাম বাবুল হোসেন তিনি বলেন বিগত সপ্তাহের রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০:০০ টা থেকে দুপুর ১২:৩০ মিনিট পর্যন্ত ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অপেক্ষা করেন একটি জমির কাজনা দেওয়ার জন্য কিন্তু ভদ্রমহিলাকে অফিস টাইমে অফিসে পাওয়া যায় নাই। অফিসে থাকা চন্দন বাবু বলেন উনি আসবেন ২:০০ পরে। কোর্টে গেছেন একটি মামলার কাজে। চারখাইয়ের আরেকজন নিরীহ ব্যক্তি দুদুমিয়া বলেন আমার আমন রকম শ্রেণী ২৮ শতক জমি ২০০২ ইংরেজি সনে খরিদ করি ওই জমির খাজনা দেওয়ার জন্য তফসিল অফিসে যাই উনি হিসাব কিতাব করে বলেন ৩৬,৬৬২/- টাকা তারপর আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে দরখাস্ত করিলে সার্ভেয়ারের মাধ্যমে সর-জমিন তদন্ত করে ওই জমির ১,৭৮৭ /- টাকা খাজনা পরিশোধ করি। চন্দ্রগ্রাম নিবাসী মোঃ শাহানারা বেগম একটি নামঝারী ৩ বার আবেদন করিয়াছেন তপশীলদার মহিলা কে টাকা না দেওয়ার কারণে ফাইল বাতিল করিয়া দেন এবং জালাল নগর নিবাসী আবুল কাশেম সাহেবের একটি নামজারি ৪ বার আবেদন করার পর তপশীলে টাকা না দেওয়ার কারণে ফাইল বাতিল করে দেন আরো অন্যান্য ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ বলেন কাজনা ও নামজারি আবেদন করলে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোছাম্মৎ শামীমা আক্তার কে ঘুষের টাকা না দিলে ফাইল বাতিল করে দেন নামজারির রিপোর্টের ক্ষেত্রে ১,০০০/ হাজার থেকে ৫,০০০/- টাকা না দিলে বিভিন্ন আইন দেখিয়ে নামঝারী বাতিল করেন এবং কাজনা বাবদ অতিরিক্ত টাকা না দিলে আবেদন বাতিল করিয়া দেন। ঘুষের টাকা বেশি সময় অফিসের দপ্তর অরজুনের মাধ্যমে নেওয়া হয়। তারপর উনি প্রতিদিন অফিসে আসেন দুপুর ১:০০ টা পরে। এবিষয়ে সুষ্ট তদন্ত করে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোছাম্মৎ শামীমার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
সূত্র দৈনিক আজকের বসুন্ধরা