
শাহজাহান আলী কাজিপুর থেকে
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার নাটুয়ার পাড়ায় নৌকায় পাটের হাট বসে। যমুনা নদীর ধারে হাট বসায় পরিবহনের সহজলভ্যতার কারণে দুরদুরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা পাট ক্রয় করতে এই হাঁটে আসেন। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কাজিপুরে পাটের বাম্পার ফলন’ হয়েছে।স্থানীয় কৃষকরা জিজ্ঞাসাবাদে জানান সার, কীটনাশক ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকায় প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ১০ হতে ১১ হাজার টাকা। উৎপাদন বিঘা প্রতি ১০ থেকে ১২ মন। বাজারে পাটের দাম বেশী থাকায় পাট চাষিদের মুখে হাসির ঝিলিক ফুটে উঠেছে। সরে জমিনে দেখা গেছে পাট কাটা, পাট জাগ দেয়া, আঁশ ছাড়া ও শুকাতে দারুন ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকেরা। কাজিপুরের বিভিন্ন হাটে পাট বিক্রি হচ্ছে মান ভেদে প্রতি মন ৩ হাজার ৫ শত টাকা থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত।

পাটের ফলন ও ভালো দাম পেয়ে চাষিদের মুখে ফুটে উঠেছে স্বপ্ন পুরনের হাসি। উপজেলার গান্ধাইল গ্রামের পাট চাষী আনোয়ার হোসেন ও মিরারপাড়াগ্রামের মুকুল ,নাটুয়ারপাড়ার হোসেন আলী জানান, পাটের পাশাপাশি পাট খড়ির চাহিদা থাকায় পাট খড়ি বিক্রি করে পাট চাষের খরচ উঠে যায়। কাজিপুর কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: শরিফুল ইসলাম জানান, এ বছর কাজিপুর উপজেলায় মোট লক্ষমাত্রা ধরাহয়েছিল ৪২৫০ হেক্টরে জমি, উৎপাদন হয়েছে প্রতি হেক্টরে আড়াই মেট্রিক টন পাট। মোট ৪২৫০ হেক্টর জমিতে মোট উৎপাদন হয়েছে ১০ হাজার ৬২৫ মেট্রিক টন এবং এর বর্তমান বাজার মূল্য ৩৬ কোটি ১২ লক্ষ ৫ হাজার টাকা বলে জানা গেছে। কৃষি ভুতুর্কী ও সরকারী প্রনোদনা কৃষকদের মাঝে – দেওয়ায় কৃষকেরা পাট চাষে বেশী উদ্বুদ্ধ হয়েছে এবং কৃষকেদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ প্রশিক্ষণ ও মাঠ পর্যায় দেখা শুনা করায় পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে।