
মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ২ নম্বর হাতুড় ইউনিয়নের মহিষবাথান গ্রামে জমি-জমার বিরোধের জেরে প্রায় এক বিঘা জমির ধানে কীটনাশক প্রয়োগ করে ফসল নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। জমিটির মালিকপক্ষ ও লিজগ্রহীতার দাবি, ধান কাটার উপযোগী হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে এ ঘটনা ঘটেছে। এতে তারা আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।
ভুক্তভোগী মহিষবাথান গ্রামের আমিনুল ইসলাম ক্রয়সূত্রে জমিটির মালিকানা দাবি করছেন। জমিটি তিনি সাবইল গ্রামের সাহেব আলীর কাছে লিজ দিয়েছেন। সাহেব আলী দীর্ঘদিন ধরে ওই জমিতে চাষাবাদ করে আসছেন। সম্প্রতি জমির ধান পাকার কাছাকাছি পর্যায়ে পৌঁছালে কে বা কারা তাতে কীটনাশক প্রয়োগ করে ফসলের ক্ষতি করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। আমিনুল ইসলাম ও তার পরিবারের অন্য ওয়ারিশদের দাবি, তাঁরা ৫৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী পোরশা উপজেলার দেওপাড়া গ্রামের আশরাফুল নামে এক ব্যক্তি সাবইল মৌজায় তাঁর ১৫ একর জমি রয়েছে বলে দাবি করেছেন।
এদিকে, জমিসংক্রান্ত বিরোধের আরেকটি ঘটনায় গোপালনগর গ্রামের সালেহা বেগমের সঙ্গে আশরাফুলের আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষের দাবি, মামলাটি প্রায় ১২ বছর ধরে বিচারাধীন। আমিনুল ইসলামের অভিযোগ, জমি নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে তাঁর কাছে টাকা দাবি করা হয়েছিল। তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর থানায় অভিযোগ করা হয়। তিনি বলেন, থানায় উপস্থিত হয়ে অভিযোগকারী জমির মালিকানার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। জে/এ
