
জামালপুর প্রতিনিধি:
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পারিবারিকভাবে সম্পন্ন একটি বিবাহকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে ‘ধর্ষণ মামলা’ হিসেবে প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে ভুক্তভোগী পরিবার। রোববার (২১ জুন) দুপুরে উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের চর হরিপুর গ্রামে নাহিদের নিজ বাড়িতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত বক্তব্যে নাহিদ ওরফে মানিকের ছোট ভাই নুরনবী ইসলাম অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই একটি সংবাদ সম্মেলন করে এবং সেখানে নাহিদের ছবি ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়। পরবর্তীতে সেই তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা তাদের পরিবারকে সামাজিকভাবে বিব্রত করেছে। তিনি দাবি করেন, নাহিদ ও ফারজু আক্তার রিতুর বিয়ে সম্পূর্ণভাবে দুই পরিবারের সম্মতিতেই সম্পন্ন হয়েছে। রিতুর বাবা ফিরোজ শেখের বর্তমান স্ত্রী দোলনা শেখের সঙ্গে আলোচনা করেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সাইফুল খান নামের এক আত্মীয়ের মধ্যস্থতায় গত ২১ মে ২০২৬ তারিখে কাজীর মাধ্যমে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বক্তব্যে আরও বলা হয়, পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। বিশেষ করে, ফিরোজ শেখের দ্বিতীয় স্ত্রী রোকসানার পক্ষ থেকে কোনো পূর্ব জিডি ছাড়াই ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
নুরনবী ইসলাম আরও বলেন, ভাইরাল হওয়া সংবাদ সম্মেলনে ফিরোজ শেখের সৎভাই সুমন শেখ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়েছেন, যা তাদের পরিবারের মানহানির শামিল। তিনি জানান, বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে জামালপুরের পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তরা বিভাগ এবং গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও অবহিত করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, অপপ্রচার বন্ধ ও মিথ্যা তথ্য প্রত্যাহার না করলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নাহিদের বাবা দুদু মিয়া, মা নার্গিস বেগম এবং স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। তারা গণমাধ্যমকে যাচাইকৃত তথ্যের ভিত্তিতে দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান। জে/এ
