
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের সিসারকুন্ডু গ্রামে চারা বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে মামা শাহাজানের লাঠির আঘাতে ভাগ্নে আবু বকর (৩০) নিহত হয়েছেন। ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে তার মৃত্যু হয়। নিহত আবু বক্কর সিসারকুন্ডু গ্রামের আলী আকবরের ছেলে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত ঘটে মামা শাহাজানের নাতি ছেলের মাধ্যমে। ওই শিশু খেলার ছলে একটি চারা বাঁশ কেটে ফেললে সেখানে উপস্থিত হন আবু বক্কর। তিনি ছোট বাচ্চাটিকে বকাঝকা করতে থাকলে একপর্যায়ে মামা শাহাজান ঘটনাস্থলে আসেন।
এ নিয়ে মামা ও ভাগ্নের মধ্যে তীব্র তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে মামা শাহাজান পাশে পড়ে থাকা একটি মোটা লাঠি দিয়ে ভাগ্নে আবু বক্করের মাথায় সজোরে আঘাত করেন। লাঠির আঘাতে আবু বক্কর তাৎক্ষণিক মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তবে তার মাথার আঘাত গুরুতর হওয়ায় এবং অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক তাকে ঢাকাতে রেফার্ড করেন। পরবর্তীতে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দুপুরে মারা যান আবু বক্কর।
এ বিষয়ে কোটচাঁদপুর থানার ওসি (তদন্ত) আনসারুল্লাহ হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। আজ শনিবার দুপুরে অপরাধী কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং জেল হাজতে প্রেরন এর কার্যক্রম চলছে। জে/এ
