
ইফতেখার আলম, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ছুতারপাড়া গ্রামে একটি লিজ নেওয়া পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে অন্তত ৬০ মণ মাছ মারা গেছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষি। তাঁর দাবি, এ ঘটনায় প্রায় ১৪ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে পুকুরে বিপুল পরিমাণ মৃত মাছ ভেসে উঠলে ঘটনাটি জানাজানি হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খামারকান্দি ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ও মৎস্যচাষি আবদুল মজিদ প্রায় পাঁচ বছর ধরে লিজ নিয়ে মাছ চাষ করছেন। তিনি তিনটি পুকুরে মাছ চাষ করেন। এর মধ্যে দুটি পুকুরে মাছের পোনা উৎপাদন এবং ছুতারপাড়া গ্রামের প্রায় দুই বিঘা আয়তনের একটি পুকুরে রুই, সিলভার কার্প, পাবদা, টেংরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ লালন-পালন করা হচ্ছিল।
আবদুল মজিদ বলেন, রোববার বিকেলেও তিনি পুকুরে গিয়ে মাছের স্বাভাবিক অবস্থা দেখে আসেন। কিন্তু সোমবার সকালে পুকুরে এসে দেখেন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে পানিতে ভেসে উঠেছে। তাঁর ধারণা, রাতের আঁধারে কেউ গ্যাস ট্যাবলেটজাতীয় বিষ প্রয়োগ করে পরিকল্পিতভাবে মাছগুলো মেরে ফেলেছে। তিনি আরও বলেন, “মাছ চাষই আমাদের পরিবারের প্রধান জীবিকার উৎস। এক রাতেই আমার প্রায় ৬০ মণ মাছ নষ্ট হয়ে গেছে। এতে আনুমানিক ১৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে সন্দেহ করছি। তাঁর পরিচয় পুলিশকে জানিয়েছি। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।” এ বিষয়ে শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদিন বলেন, “মাছ মারা যাওয়ার ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” জে/এ
