
এম আব্দুর রাজ্জাক, স্টাফ রিপোর্টার-
বগুড়ার আদমদীঘি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামরুজ্জামান মিয়াকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি কুচক্রী সাংবাদিক মহল, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সম্প্রতি ফেসবুকে ২ টি আইডি থেকে ওসির বিরুদ্ধে ঘুষ কেলেঙ্কারি, জমি -জমা সংক্রান্ত বিচার সালিশ কেন্দ্র নিয়ে অপপ্রচার চালানো, বিভ্রান্তিকর তথ্য পোস্ট করা হয়।
এ বিষয়ে আদমদীঘি থানা (ওসি) মো, কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, তার বিরুদ্ধে এসব সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট এবং একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বলে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানান। প্রকৃত তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, ওসি মো. কামরুজ্জামান মিয়া, আদমদীঘি থানার সর্বস্তরের মানুষের কাছে সুপরিচিত ও পুলিশের একজন সুদক্ষ চৌকশ অফিসার এবং (আইজিপি) কর্তৃক পদক প্রাপ্ত অফিসার। তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। আমি আইনকে সম্মান করি এবং আইনের পক্ষে কাজ করি। এ ছাড়াও তিনি আরো বলেন, আদমদীঘি থানা জনগণের সেবার জন্য ২৪ ঘন্টা খোলা থাকে এবং থানায় জিডি করতে কোন টাকা লাগে না। তিনি ইতি পূর্বে বগুড়া সদর এবং শিবগঞ্জ থানায় অত্তান্ত সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার আর্থিক লেনদেন, ঘুষ বাণিজ্যর কোন প্রমান নেই। তিনি আদমদীঘি থানায়, যোগদান করার পর থেকেই থানার আইন শৃঙ্খলা দিন দিন উন্নতি হচ্ছে। তিনি মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার এবং ইতি মধ্যে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। এ ছাড়াও বাল্য বিবাহ, ইভ-টিজিং, জুয়া/ অনলাইন জুয়া কিশোরগ্যাং এর বিরুদ্ধে, দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম এবং নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল ও আদমদীঘি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন এর সাধারণ ব্যাক্তিরা জানান, একটি মহৎ পেশায় নিয়োজিত সৎ ও যোগ্য পুলিশ কর্মকর্তাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে এবং তার ক্যারিয়ারের ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ফেসবুকে এই ধরনের ভূয়া ও বানোয়াট পোস্ট ছড়াচ্ছে। তারা এই জঘন্য ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে এই অপপ্রচারের পেছনে জড়িত কুচক্রী মহলকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
ছাতিয়ান গ্রামের, আব্দুল মান্নান সরকার নামক এক ব্যাক্তি জানান, আমি কয়েক দিন আগে একটি জমি-জমা সংক্রন্ত থানায় অভিযোগ করি। ওসি’র নির্দেশে, থানার এস আই আমাদের উভয় পক্ষ কে ডেকে আপোষ মীমাংসা করে দেন। আমি ওসি স্যারের প্রতি চির কৃতজ্ঞতা জানাই। নিমাইদীঘি গ্রামের আবু তালেব নামক এক ব্যাক্তি বলেন, থানায় আইন-শৃঙ্খলার যে কোন ধরনের কাজ, আগের চেয়ে এখন অনেক উন্নতি হয়েছে। চাঁপাপুর এলাকার সজল নামক ব্যাক্তি বলেন, আদমদীঘি থানায়, যে কোন ধরনের কাজ, সহজে সেবা মূলক ভাবে পাওয়া যায় এবং হয়রানি আর হতে হয় না। থানার ওসি সাহেব অত্যন্ত ভালো মানুষ এবং সৎ অফিসার।
আদমদীঘি বাজার এলাকার মোয়াজ্জেম হোসেন নামক ব্যাক্তি বলেন, থানার (ওসি) খুব ভালো এবং সাদা মনের মানুষ, তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং ন্যায় সঙ্গত ভাবে কাজ করেন। তিনি সেবা প্রার্থীদের সঙ্গে খুব সুন্দর ভাবে কথাবার্তা বলেন এবং মন যোগের সঙ্গে কথা শ্রবণ করেন এবং অভিযোগ করলে, আমলে নিয়ে তা অতি দ্রুত সঠিক তদন্ত করে সঠিক বিচারের ব্যবস্থা করেন। সান্তাহার এলাকার আনোয়ার হোসেন বলেন, ওসি মো, কামরুজ্জামান মিয়া স্যার একজন ভালো মনের মানুষ। থানার সেবা প্রার্থীদের সঙ্গে খুব সুন্দর এবং ভালো ব্যাবহার করেন এবং তিনি কাউকে হয়রানি করান না। তিনি আরও বলেন, আমি ওসি স্যারের জন্য দোয়া করি, তিনি একজন সৎ এবং মানবিক পুলিশ অফিসার।
