
মোঃ ফিরোজ আহমেদ,
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি-
নওগাঁর রাণীনগরে তাল শাষের কদর বেড়েছে৷ জৈষ্ঠ্য মাস মধুর মাস এ মধুময় মাসে বিভিন্ন ধরণের সু-স্বাদু ফল পাওয়া যায়। বিশেষ করে এ এলাকায় আম, লিচু, কাঁঠালের পাশাপাশি তালের শ্বাস তালকুর নামের ফলটিরও চাহিদা ও কদর বেড়েছে। হাটবাজারের খোলা স্থানে বিক্রি হচ্ছে এ সুস্বাদু ফলটি, ক্রেতাদেরকে লাইন ধরে কিনতেও দেখা গিয়েছে। সারাদেশে তালের শ্বাস নামে পরিচিত হলেও এই এলাকায় তালের চোখ বা তালকুর নামে পরিচিত। শিশু থেকে সববয়সী মানুষের প্রিয় খাবার এ ফলটি। সোমবার ৮ জুন ২০২৬ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তা ধারে বসে তালের শ্বাস বিক্রি করছে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। দাঁড়িয়ে থেকে কিনতেছেন সব শ্রেণির মানুষ। তালের ছড়ি কাইন থেকে হাঁসুয়া বা ছুড়ি বা দা দিয়ে তাল কেটে শ্বাস বা চোখ বের করছেন। ক্রেতারা মনের আনন্দে ফলটি কিনে খাইতেছে৷ তালের শ্বাসের চোখের পানি অনেকটা পুষ্টি সমৃদ্ধ বলে অনেক ক্রেতা জানিয়েছেন। তালের শ্বাস কিনতে আসা শহিদুল আলম জানান, ভাল লাগে এ ফলটি। পরিবারের সবাই পছন্দ করে। প্রতিদিন বাড়ি যাওয়ার সময় কিনে নিয়ে যায়। তবে এ বছর দাম অনেক বেশি। নিম্ন আয়ের লোকজনের কিনতে সমস্যা হচ্ছে। তিনি ৬০ টাকাতে ২১ পিচ তালের শ্বাস কিনেছেন।
একজন ক্রেতা বলেন,তার মেয়ে এলাকায় অন্য একজনকে খেতে দেখে এখন জেদ ধরেছে।তাই মিরাট বাজারে তালের শ্বাস কিনতে এসেছি। এসে দেখছি অনেকে সিরিয়াল অনুযায়ী নিচ্ছে। মিরাট বাজারের বিক্রেতা মো. খালেক বলেন, প্রতিবছর তিনি এ পেশায় জড়িত রয়েছেন। পাড়া-মহল্লা,গ্রামে ঘুরে তাল কিনতে হয় তাঁকে। একেকটি গাছে তালের সংখ্যা দেখে কিনতে হয়। পাঁচশত টাকা থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত দিয়ে কিনতে হয়। তবে গাছের সংখ্যা অনেক কমে গেছে।তালগাছে উঠতে অনেকটা কষ্টদায়ক তেমনি দড়িতে বেঁধে নামাতে অনেক অসুবিধায় পড়তে হয়। ভ্যানে ভাড়া দিয়ে আবার বাজারে নিয়ে আসতে হয়। তারপরের প্রতিদিন তিনি চারশ টাকা থেকে ছয়শ টাকা পর্যন্ত আয় হয়ে থাকে তাহার৷ জে/এ
