
স্টাফ রিপোর্টার:
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের আদেশ উপেক্ষা করার অভিযোগ উঠেছে। আউট সোর্সিংয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত ৪ সেবাকর্মীকে অবৈধ ভাবে ছাটাইয়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের আদেশ উপেক্ষা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ভূক্তভোগীরা। অভিযোগ, ২০২২ সালের ২৯ জানুয়ারি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের ৪ সেবাকর্মীকে ছাটাই করেন তৎকালীন অধ্যক্ষ ডা. রুহুল কুদ্দুস। ছাটাইয়ের পর নতুন করে ৪ জনকে নিয়োগ প্রদান করেন অধ্যক্ষ। এ নিয়ে নুরজাহান, ইদ্রিস আলী, মেহেদী হাসান ও সাহেব আলী ৪ সেবাকর্মীকে অবৈধ ভাবে ছাটাইয়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন। যার নম্বর ৬৩০৩।
২০২২ সালের ৫ মে উচ্চ আদালত ৪ সেবাকর্মীদের ছাটাই ও নতুন নিয়োগ অবৈধ ঘোষনা করে রায় প্রধান করেন বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের দ্বৈত বেঞ্চ। ছাটাইকৃত কর্মীদের পুনরায় নিয়োগের আদেশ দিয়ে মামলার রায় প্রদান করেন। আদেশের কপি উচ্চ আদালত কর্তৃক পাঠানো হয় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে।
উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করেন তৎকালীন অধ্যক্ষ রুহুল কুদ্দুস ভূক্তভোগী ৪ সেবাকর্মীকে যোগদান করাননি। বর্তমান অধ্যক্ষ ডা. আরিফ আহম্মেদও উচ্চ আদালতের বিষয়টি ঝুঁলিয়ে রেখেছেন। ভুক্তভোগী নুরজাহান বলেন, কলেজের পূর্বের ও বর্তমান অধ্যক্ষ আমাদের সঙ্গে অবিচার করছেন। আমাদেরকে নিয়োগ না দিয়ে দীর্ঘদিন টালবাহানা করছেন। আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পরে নতুন বাংলাদেশে ন্যায় বিচার পাবো আশা করে ছিলাম। কিন্তু বর্তমান অধ্যক্ষ ডা. আরিফ আহম্মেদও উচ্চ আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে আমাদের নিয়োগ না দিয়ে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন। যা সম্পূর্ণ রুপে অবৈধ ও বেআইনী। দীর্ঘ ৪ বছর চাকুরি হারিয়ে আমরা মানবেতর জীবনযাপন করছি। এ নিয়ে আমরা আবারও উচ্চ আদালতে যাবো বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আরিফ আহমেদ বলেন, এ সংক্রান্ত কাগজপত্র আইনজীবীর কাছে পাঠানো হয়েছে। হাইকোর্ট যে নির্দেশনা দিবে সেটা মানবো এবং ৪ জনের পদ খালি রেখে নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে উচ্চ আদালতের আইনজীবী মোখলেছুর রহমান জানান, ৪ জনকে নিয়োগ না দিয়ে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে। জে/এ
