
শাহিন হাওলাদার /বরিশাল প্রতিনিধি:
বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হলো বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নের বাগদিয়া কীর্তনীয়া বাড়ি। ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন কলসকাঠী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান ও জননেতা আলহাজ্ব মোহাম্মদ শওকত হোসেন হাওলাদার।
সম্প্রতি কলসকাঠীর বাগদিয়া কীর্তনীয়া বাড়ি প্রাঙ্গণে আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী কীর্তনীয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন জনপ্রিয় এই নেতা। অনুষ্ঠানে হাজার হাজার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ ও ভক্ত-অনুসারী তাকে একনজর দেখতে এবং কাছে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন। উপস্থিত জনতা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং ফুলেল ভালোবাসায় সিক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের উপচে পড়া ভিড় এবং তাদের আন্তরিক ভালোবাসা দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শওকত হোসেন হাওলাদার।
এ সময় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “কলসকাঠী ইউনিয়ন আমাদের সবার। এখানে ধর্ম, বর্ণ কিংবা গোত্র বলে কোনো ভেদাভেদ থাকা উচিত নয়। অতীতেও আমি দলমত ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আগামীতেও কোনো প্রকার ভেদাভেদ না রেখে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি শান্তির, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন কলসকাঠী ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই।”
স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী মুরুব্বি ও যুবসমাজ জানান, শওকত হোসেন হাওলাদার চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়েও এলাকায় কওমী-মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির ও পূজামণ্ডপের উন্নয়নে সমানভাবে কাজ করেছেন। সুখে-দুঃখে তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছেন। আজও তার এই আগমন ও উদার মানসিকতা প্রমাণ করে যে, তিনি সত্যিকারের একজন জনবান্ধব ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার নেতা।
তার এই মানবিক ও সম্প্রীতির বার্তা কলসকাঠীর রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসার সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, শওকত হোসেন হাওলাদারের মতো এমন উদার নেতৃত্বই সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য বজায় রাখতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।