
ডেক্স রিপোর্ট :
দুইদিন পর পর অধিনায়ক বদল। দলের ফর্ম তলানিতে। পাকিস্তান ক্রিকেট ইতিহাসের খারাপ সময় দিয়ে যাচ্ছে। তবে সময় বদলায়, প্লেয়ার বদলায়, একটা জিনিস চিরন্তন। ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত ম্যাচগুলো জিতে নিবে এই দলটা।
আটাশি রান লাগে তখন। হারিস রউফ নামছেন৷ অন্য প্রান্তে শাদাব খানকে দেখে মনে হচ্ছে অন্য কোনো পিচে ব্যাট করছেন। তবুও শেষ উইকেটে আর কী হবে? শাদাব ব্যাট করবেন, কিছু রান করবেন। হারটা হবে সম্মানজনক, এই তো?
কিন্তু দলটা পাকিস্তান। লাহোরে যেটা হলো, বিশ্বকাপের বছরে ওয়ানডে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনই। শাদাব খান যেন পুরনো দিনের অলরাউন্ডার আব্দুর রাজ্জাক, অবিশ্বাস্যভাবে একাই ম্যাচ জিতিয়ে নিলেন। একা নন, হারিস রউফও ছিলেন সাথে। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলকে স্কুলের ছোঁকরা বানিয়ে জয়ের বন্দরে পাকিস্তান দল।
নাটক তবুও হলো। শাদাব আউট হয়ে করমর্দন করছেন। আল্ট্রা এজে এলো স্পাইক। খেলা শুরু। ক্রিকেটের সব আবেগ একসাথে দেখলো গাদ্দাফি স্টেডিয়াম। ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ ৯৬ বলে ১১৩। ১৭ বল বাকি রেখে জয়ী পাকিস্তান।
ক্রিকেট গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে সেটা এক কাঠি সরেস। শাদাব আর কোনোদিনও এমন পারবেন না। নতুন কেউ আসবে তখন৷ এমন ম্যাচ জিতিয়ে ফেলবেন। দলটা যে পাকিস্তান। সম্ভাব্যতাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে জয়ের অভ্যেস তাদের নিত্যদিনের!
এজে