
আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি-
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য খোরশেদুল আলম বলেছেন, রাস্তাঘাট, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানসহ আনোয়ারার সার্বিক উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তিনি বলেন, আনোয়ারা একটি সম্ভাবনাময় উপজেলা। শিল্প, বাণিজ্য ও পর্যটনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ উপজেলার রয়েছে ব্যাপক সম্ভাবনা। তবে এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, আধুনিক অবকাঠামো এবং জনবান্ধব উন্নয়ন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) আনোয়ারা উপজেলার কালাবিবির দিঘিস্থ একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মসংস্থানের বিষয়ে খোরশেদুল আলম বলেন, তরুণ সমাজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা এখন সময়ের অন্যতম প্রধান দাবি। স্থানীয় শিল্প-কারখানা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারের পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে হবে। এতে বেকারত্ব কমবে এবং এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে।
শিক্ষার উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, একটি এলাকার উন্নয়নের মূল ভিত্তি হলো মানসম্মত শিক্ষা। আনোয়ারার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষার পরিবেশ আধুনিকায়ন, প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে হবে। শিক্ষিত ও যোগ্য প্রজন্ম গড়ে উঠলেই এলাকার টেকসই উন্নয়ন সম্ভব। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। তাই সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে। প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ যেন দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা পেতে পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের গুরুত্ব দিতে হবে।
খোরশেদুল আলম বলেন, উন্নয়ন একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিষয়। জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, সামাজিক সংগঠন ও এলাকার সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে আনোয়ারার উন্নয়নে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, পরিকল্পিত উন্নয়ন ও সবার সহযোগিতার মাধ্যমে আনোয়ারাকে একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আনোয়ারা উপজেলা বিএনপি নেতা ডা. এস এম এহসানুল হক বাবর, মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ।
