বৃহস্পতিবার ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩

দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান

[print_bangla]

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া,পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:

চোরের দশ দিন গিরস্থের একদিন এই পর্যন্ত টেন্ডারের মাধ্যমে যেই সকল সড়কের কাজ করেছে ঠিকাদারি মোঃ ফিরোজ প্রতিষ্ঠান জনসাধারণের বক্তব্য অনুযায়ী জানাযায় সকল সড়কের কাজে রয়েছে দূর্নীতি ও অনিয়ম কিন্তু অতিব দুঃখের বিষয় উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী ও জনসচেতনতার অবহেলা ও অসচেতনতার কারণে অনিয়ম ও দুর্নীতি ধরা পড়েনি আমাদের পটুয়াখালী জেলা গলাচিপা উপজেলা উলানিয়া বন্দর ও ডাকুয়া ইউনিয়ন ওয়াপদা রাস্তা কাজ চলমান গাইড অড লাইন ও পাইলিং না করে ইটের খোয়া দিয়ে রাস্তা কাজ চলমান, ভাষায় একটা কথা আছে চোরের দশদিন গিরস্থের একদিন।তা বাস্তবায়ন করেছে গলাচিপা উপজেলার উলানিয়া বন্দর ও ডাকুয়া ইউনিয়নের সড়কের সংস্কার কাজে অনিয়ম ও দূর্নীতি ধরা পড়েছে উলানিয়া বন্দর নাগরিক সমাজের চোখে অবশেষে তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে দৈনিক বিশ্বমান চিত্র ও জাতীয় দৈনিক ঢাকা পত্রিকা জেলা প্রতিনিধি, সাপ্তাহিক দেশ প্রিয় পত্রিকা জেলা প্রতিনিধি, পত্রিকার ডি পি সি স্টাফ রিপোর্টার শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া পরিদর্শন করতে স্বশরীরে হাজির হয় ঘটনা স্থলে। এতে সড়কের স্থায়িত্ব ও মান নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সত্যতা নিশ্চিত হয় প্রতিনিধি। এই ঘটনার বিষয় নিয়ে গলাচিপা উপজেলা এলজিইডি অফিসে হাজির হলে অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৪–২৫ অর্থ বছরে আর সিসির দৈর্ঘ্য ১৫৪৫ ফুট রাস্তা ২ ফুট গভীরতা পাইলিং ২৪ ফুট প্রস্থ,, ২ ফুট রাস্তা কাজে পাইলিং ৩২ হাজার লোকাল বালুতে ভর্তি করা হয়, সড়কে আর সিসি ১ হাজার ৫৪৫ মিটার কার্পেটিং দ্বারা সংস্কারের কাজ পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় এক বছর আগে সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু হলেও এখনো তা শেষ হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ধীরগতিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে এলাকাবাসীকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সড়কের উভয় পাশে যথাযথভাবে বেস প্রস্তুত না করেই তড়িঘড়ি করে নিম্নমানের খোয়া বিছানো হয়েছে। পাশাপাশি কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের বিটুমিন। যা সড়কের স্থায়িত্ব নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি করেছে। এছাড়া সড়কের উপর জমে থাকা মাটি পরিষ্কার না করেই কার্পেটিং করা হচ্ছে। ফলে অনেক স্থানে হাত দিয়ে নাড়াচাড়া করলেই খোয়া আলগা হয়ে যাচ্ছে। যা নির্মাণ কাজের নিম্নমানের স্পষ্ট প্রমাণ বলে মনে করছেন তারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, ইতোমধ্যে সড়কের সিংহভাগ কাজ শেষ হয়েছে। তবে সড়কের বিভিন্ন অংশে নির্মাণ কাজে চরম অনিয়মের চিত্র স্পষ্ট। কোথাও কোথাও মাটির উপর যথাযথ বেস ছাড়াই খোয়া বিছানো হয়েছে। সড়কের উপর জমে থাকা ধুলা–মাটি পরিষ্কার না করেই কাজ চালানো হচ্ছে। ফলে বিটুমিনের সাথে খোয়ার সঠিক বন্ধন তৈরি হচ্ছে না।
স্থানীয় জানান ঠিকাদারের লোকজন তড়িগড়ি করে মাটির উপর কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু করে দেয়। নিম্নমানের কাজ করায় এলাকাবাসী প্রতিবাদ করেছেন। যার ফলে ঠিকাদার কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হন। এছাড়া এভাবে কাজ করলে কিছুদিনের মধ্যেই সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়বে। সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও কাজের মান যদি ঠিক না থাকে, তাহলে তা জনগণের কোনো উপকারে আসবে না। এ ব্যাপারে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জানান, সড়ক সংস্কার কাজের শুরু থেকেই তদারকির ঘাটতি ছিল। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ধাপে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের উপস্থিতি ও কঠোর নজরদারি থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন নিজেদের ইচ্ছামতো কাজ পরিচালনা করছে। এতে করে নির্মাণকাজের মান নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। কাজের ক্ষেত্রে নিম্নমানের ইটের খোয়া ও বিটুমিন ব্যবহার করা হয়েছে। যা ভবিষ্যতে সড়কের স্থায়িত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। তাই এই ব্যাপারে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালী জেলা গলাচিপা উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) কর্মকর্তা জানান, সড়ক উন্নয়ন কাজে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ । পরে ঠিকাদারকে মান ঠিক রেখে পুণরায় কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হবে। মান নিশ্চিত না হলে কাজের কোনো বিল পরিশোধ করা হবে না।

Share this news as a Photo Card

Share it :

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান

০৭ মে ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
dailybadwipbangladesh
www.badwipnews.com
Scroll to Top