
চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাস তল্লাশি করে ৯,৯০০ পিস ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা মাদক কারবারি গ্রেফতার
মোঃ মোরশেদ, (জেলা প্রতিনিধি) কক্সবাজার
কক্সবাজারের চকরিয়ায় একটি যাত্রীবাহী লোকাল বাসে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৯,৯০০ পিস ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা মাদক কারবারিকে আটক করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৫, অদ্য ৩১ আগস্ট ২০২৬ রোজ সোমবার সকালে চকরিয়া থানাধীন বরইতলী ইউনিয়নস্থ দরগাপাড়া এলাকার কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনাইছড়ি ব্রিজ সংলগ্ন চেকপোস্টে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৫ সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল জানতে পারে যে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি চক্র বড় মাদকের চালান নিয়ে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করছে।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সকাল আনুমানিক ১১:৩০ ঘটিকার দিকে বরইতলী ইউনিয়নের দরগাপাড়া এলাকার সোনাইছড়ি ব্রিজ সংলগ্ন মহাসড়কের উপর চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম শুরু করে। এ সময় চট্টগ্রামগামী ‘ঈগল পরিবহন’ নামের একটি লোকাল বাসে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনাকালে দুই যাত্রীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাদের দেহ ও সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে ৯,৯০০ (নয় হাজার নয়শত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির নগদ ২,৭০০/-(দুই হাজার সাতশত টাকা) এবং যোগাযোগের কাজে ব্যবহৃত ৩টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন: উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ (ব্লক-এফ/৫)-এর নবী হোসেনের ছেলে হাফিজুল হক (২৪), এমআরসি নং-১৫৬৫৩৫ এবং একই ক্যাম্পের (ব্লক-ই/৮)-এর আবুল বাশারের ছেলে মুর্শিদ আলম(২৫), এমআরসি নং-১৫৫৫৪০৪।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আড়ালে কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে আসছে বলে স্বীকার করেছে।
উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট ও অন্যান্য আলামতসহ আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজুপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের ভয়াল থাবা থেকে সমাজকে সুরক্ষিত রাখতে র্যাবের এমন কঠোর ও ধারাবাহিক গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।